সাম্প্রতিক কার্যক্রম সমূহ

পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ সাধনের ক্ষেত্রে  হৃদয় উজার করে যেমনি তাদের পাশে আছি; ঠিক তেমনি তাদের শৃংখলা রক্ষার্থে কঠোর থেকে কঠোরতম অবস্থানে রয়েছি_________ বিএমপি কমিশনার ।
19 Sep 2021
 ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ সকাল ০৮:০০ ঘটিকায় পুলিশ লাইন্স বরিশালে অনুষ্ঠিত মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন কালে পুলিশ কমিশনার বিএমপি জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার পুলিশ সদস্যদের উদ্দেশ্যে এ কথা বলেন ।

এ-সময় তিনি মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন করে বলেন, মাষ্টার প্যারেডের যে সকল কার্যক্রম রয়েছে তা সুষ্ঠু ও সুশৃঙ্খলভাবে পালন করতে হবে। আমাদের শারীরিক কাঠামো ও সক্ষমতা যেনো ঠিক থাকে সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমাদের শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতা বাড়াতে ডিউটির পাশাপাশি আমাদেরকে নিয়মিতভাবে শরীর চর্চা করতে হবে।
এ-বিষয়ে মাননীয় আইজিপি মহোদয়ের সুস্পষ্ট নির্দেশনার কথা উল্লেখ্য করে তিনি বলেন, পিআরবি অনুসারে আমাদেরকে প্রতি সপ্তাহে প্রতি ইউনিটে নিয়মিতভাবে মাষ্টার প্যারেড আয়োজন করতে হবে। একই সদস্য বার বার অংশগ্রহণ না করে, পর্যায়ক্রমে সকল সদস্যকে মাষ্টার প্যারেডে অংশগ্রহণ করতে হবে।
এ-সময় তিনি আরো বলেন, পুলিশ সদস্যদের সার্বিক কল্যাণ সাধনের ক্ষেত্রে সামর্থ্য অনুযায়ী হৃদয় উজার করে আমরা সব সময় তোমাদের পাশে আছি। তোমাদের বিভিন্ন সুবিধা ও অসুবিধাগুলো কল্যাণ সভায় তুলে ধরতে হবে। প্রয়োজন ও চাহিদা মাফিক এখানে ছুটির ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ সুবিধা দেয়া হয়, যার পার্সেন্টেজ দেশের অন্যান্য ইউনিট এর চেয়ে অনেক বেশি । তোমাদের যেকোনো প্রয়োজন তোমরা সরাসরি উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের কাছে উপস্থাপন করবে।
তিনি আরো বলেন, আমরা বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ যেভাবে সৌহার্দপূর্ণ কর্মপরিবেশের মধ্য দিয়ে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে জনগণের দোরগোড়ায় সেবা পৌঁছে দিচ্ছি তাতে করে সারাদেশে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ উদাহরণ সৃষ্টি করার মত একটি ব্যতিক্রমী ইউনিট এ পরিণত হয়েছে।
এসময় তিনি দেশের সকল ক্রান্তিলগ্নে বাংলাদেশ পুলিশের ভূমিকা তুলে ধরে বলেন, ১৯৭১ জাতির পিতার ডাকে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের স্বপক্ষে বাংলাদেশ পুলিশই প্রথম পাক বাহিনীর বিরুদ্ধে সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তুলেছিল। করোনাকালে আমাদের ১০৭ জন পুলিশ সদস্য নিজেদের জীবন ত্যাগ করে শহীদ হয়েছেন , আক্রান্ত হয়েছেন আমাদের হাজার হাজার সদস্য। করোনা মহামারীতে প্রথম থেকে অক্লান্ত পরিশ্রমের পরেও আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আমাদের দূর্বলতার চিত্র ছিল না। করোনার পর্যাপ্ত সুরক্ষা সামগ্রী ছাড়া জনগনকে সচেতন করতে সম্মুখে থেকে কাজ করে গিয়েছে পুলিশ সদস্যরা। আমাদের রয়েছে উন্নত শৃঙ্খলা, আমরা দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য, দেশের উন্নয়নের জন্য যেকোনো ধরনের ত্যাগ স্বীকার করতে পারি।
তাই এই বাহিনীর শৃংখলা রক্ষায় কঠোর থেকে কঠোরতম অবস্থানের বিষয়ে সকলের প্রতি হুশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, যে সকল পুলিশ সদস্যের অপেশাদার ভূমিকার কারণে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হয়, তাদের সংশোধন হয়ে সুশৃঙ্খলের পথে থেকে কাজ করতে হবে নতুবা তাদের চিন্হিত করে আইন মোতাবেক শাস্তির আওতায় এনে তাদেরকে বাহিনী থেকে বাদ দিতে হবে।
এসময় তিনি সকলকে জনগণের পুলিশে রূপান্তরিত হয়ে সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে জাতির পিতার সপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণে অবদান রাখার আহবান জানান।
উল্লেখ্য যে বৃষ্টিবিঘ্নিত কারণে আজকের মাস্টার প্যারেড পুলিশ লাইন্স ড্রিল সেটে অনুষ্ঠিত হয়।
এসময় আরো উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (হেডকোয়ার্টার্স) বিএমপি  প্রলয় চিসিম, অতিঃ পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম এন্ড অপারেশন) বিএমপি মোহাম্মদ এনামুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার (সাপ্লাই এ্যান্ড লজিস্টিকস্)  মোঃ জুলফিকার আলী হায়দার, উপ-পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম , অপস্ এন্ড প্রসিকিউশন) মোঃ মোকতার হোসেন, পিপিএম, উপ-পুলিশ কমিশনার (সিএসবি)  খাঁন মুহাম্মদ আবু নাসের সহ বিএমপি'র অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তা বৃন্দ।
তেলের টাঙ্কিতে ফেনসিডিল লুকালেও শেষ রক্ষা হলো না বিএমপি'র চেকপোস্টে ।
09 Sep 2021

গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ সময় ২৩.৪৫ ঘটিকায়, এয়ারপোর্ট থানার এসআই মোঃ সাইদুল হক এর নেতৃত্বে সঙ্গীয় একটি চৌকস টিম এয়ারপোর্ট থানাধীন ঢাকা বরিশাল মহাসড়কের রামপট্টি বাসস্ট্যান্ডে চেকপোস্ট অভিযান পরিচালনা করেন।

অভিযান পরিচালনায়, চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার বাবুপুর বিশ্বাসপাড়া ০২ নং ওয়ার্ডস্থ পাঁকা ইউনিয়ন এর মোঃ জিন্নুর বিশ্বাস ও মৃত খুদুন বেগম এর ছেলে বেনজির বিশ্বাস (৪০), চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ পৌরসভা ও থানাধীন ০৭ নং ওয়ার্ডস্থ মোঃ সাদিকুল ইসলাম ও মৃত মর্জিনা বেগম এর ছেলে মোঃ শহিদুল ইসলাম বাবু (৩৫), বরিশাল জেলার কোতয়ালী মডেল থানাধীন ১৬নং ওয়ার্ড, বিসিসি ব্রাউন্ড কম্পাউন্ড এর মৃত মোকছেদ আলী সিকদার ও জাহানারা বেগম এর ছেলে মাইনুল ইসলাম সিকদার @ মনু (৪৫) এবং বানারীড়া থানাধীন শলিয়া বাগপুর, মিয়া বাড়ীর মৃত হাচান আলী ও মৃত বকুনী বেগম এর ছেলে মাইনুদ্দিন মিয়া (৪৫) দের ৯০ (নব্বই) বোতল ফেনসিডিল সহ গ্রেফতার করেন।

আসামীগণ ঢাকা হইতে বরিশালগামী একটি নীল রংয়ের প্রাইভেট কার যোগে রামপট্টি বাসষ্ট্যান্ড “পুলিশ চেকপোষ্ট” এ পৌছালে, সংশ্লিষ্ট টিমের
জিজ্ঞাসাবাদে অসংলগ্ন কথাবার্তা বললে, কৌশলী জিজ্ঞাসাবাদ ও তল্লাশি একপর্যায়ে তেলের ট্যাংকির মধ্যে বিশেষ কৈাশলে রাখা ৯০ (নব্বই) বোতল ফেন্সিডিল উদ্ধার করা হয়।

একাধিক মাদক মামলার ধৃত আসামীগণ জানায় যে, তারা সীমান্তবর্তী এলাকা চাপাইনবাবগঞ্জ হতে অবৈধ ফেন্সিডিল এনে বরিশাল শহরের বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে খুচরা ও পাইকারী বিক্রয় কাজে জড়িত সংঘবদ্ধ চক্র।

 ধৃত আসামীদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

বিএমপি‘র মাষ্টার প্যারেড অনুষ্ঠিত
06 Sep 2021
০৬ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ সকাল আট ঘটিকায় অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার সদর-দপ্তর বিএমপি জনাব প্রলয় চিসিম পুলিশ লাইন্স বরিশালে মাস্টার প্যারেড পরিদর্শন করেন।
আমরা পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নেতৃত্বে অনেক দূর এগিয়ে আছি, জনগণের কাছে আমাদের ভূমিকা প্রশংসনীয়, এই ধারা অব্যাহত রাখতে হবে।
আমাদের দ্বারা কোন লোক যেন ক্ষতিগ্রস্থ না বা এই দেশ সম্পর্কে বিরুপ মন্তব্য তৈরি না হয়, সে মর্মে আরও পেশাদারিত্বের সাথে কাজ করতে হবে, ক্ষতিগ্রস্থ ভুক্তভোগীকে সঠিকভাবে নির্ভেজাল সেবা নিশ্চিত করতে সবাইকে সতর্কতার সাথে অবশ্যই স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি মেনে সাবধানে থেকে কাজ করতে হবে, এ বিষয়ে কমিশনার মহোদয়ের কঠোর নির্দেশনা রয়েছে।
প্রতি সপ্তাহে এই মাস্টার প্যারেড চলমান থাকবে, মাস্টার প্যারেড ডিসিপ্লিন এর সহায়ক ভূমিকা পালন করে, একই সাথে বাজে দৃষ্টিভঙ্গী, দুর্নীতি থেকে নিজেকে দূরে রাখতে সাহায্য করে।
প্যারেডে নেতৃত্ব দেন, প্যারেড অধিনায়ক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার মোঃ ফারুক হোসেন ও প্যারেড উপ-অধিনায়ক আরআই (পুলিশ পরিদর্শক) বিএমপি জনাব মোঃ মোবাক্ষের হোসেন।
এসময়ে আরও উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি ক্রাইম এন্ড অপস  মোঃ এনামুল হক, উপ-পুলিশ কমিশনার সদর-দপ্তর বিএমপি  মোঃ নজরুল হোসেন, উপ-পুলিশ কমিশনার সাপ্লাই এন্ড লজিস্টিকস  মোঃ জুলফিকার আলি হায়দার সহ অন্যান্য শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ।
আমাদের আচরণে অনিয়ম-দুর্নীতি,অনাস্থার নেপথ্যে কেউ থাকলে মুখ বুজে না থেকে সরাসরি বা গোপনে বলুন। ।_______বিএমপি কমিশনার।
04 Sep 2021
০৪ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ সকাল ১০ঃ৩০ ঘটিকায় বন্দর থানা বিএমপি কর্তৃক "ওপেন হাউজ ডে " অনুষ্ঠিত হয়।
উক্ত ওপেন হাউজ ডে'তে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, বিএমপি কমিশনার  মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএম-বার ।
প্রতিমাসের ০৪ তারিখ বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের বন্দর থানা , ০৭ তারিখ কাউনিয়া থানা , ১০ তারিখ এয়াপোর্ট থানা ও ১৩ তারিখ কোতয়ালী মডেল থানায় ওপেন হাউজ ডে অনুষ্ঠিত হয় ।  পুলিশ কমিশনার মহোদয় সহ শীর্ষ কর্মকর্তাবৃন্দ প্রতিটি থানায় গিয়ে দীর্ঘ সময় নিয়ে,জনসাধারনের কথা শুনেন। জনগণের কাছে এসময় থানা চিত্র যেন পুলিশ কমিশনার কার্যালয়। থানা এলাকার সাধারণ মানুষও এই ওপেন হাউজ ডে'র দিন উপস্থিত থাকেন।
প্রধান অতিথি মহোদয়, বিগত ওপেন হাউজ ডে সভার কার্যবিবরণী তথা জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে আগত ভুক্তভোগীর কথা সরাসরি শুনে তাৎক্ষণিক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ প্রদান করেন।
তিনি বলেন, এই ওপেন হাউজ ডে'তে আমরা তিন ধরনের আবেদন গুরুত্ব সহকারে শুনে থাকি ; ভুক্তভোগীর কথা শুনি, সমাজের শৃঙ্খলা রক্ষায় সাধারণ জনগণের গঠনমূলক পরামর্শ শুনি এমনকি আমাদের কোন পুলিশের বিরুদ্ধে অভিযোগ, অনিয়ম রয়েছে কিনা তা সরাসরি আপনাদের কাছ থেকে শুনে থাকি এবং সেই অনুযায়ী গৃহীত ব্যবস্থা সকলের সামনে পর্যালোচনা করে থাকি।তাই, নিজ ও প্রতিবেশীকে ভালো রাখতে অপরাধ দানাবাঁধার আগেই এখানে এসে বেশি বেশি তথ্য দিয়ে সহায়তা করুন। এমনকি আমাদের আচরণে সাধারণ জনগণ বা সেবা প্রত্যাশী ভুক্তভোগীর প্রতি অনিয়ম-দুর্নীতি,অনাস্থার নেপথ্যে কেউ থাকলে মুখ বুজে না থেকে সরাসরি বা গোপনে বলুন।
আমরা করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলায় আমাদের স্কুল ভিজিটিং প্রোগ্রাম, কমিউনিটি পুলিশিং -বিট পুলিং সভা কর্যক্রম, সচেতনতামূলক কার্যক্রমগুলো সংক্ষিপ্ত আকারে সচল রাখলেও করোনা পরিস্থিতি আরও কমে আসলে,আপনাদের সন্তানদের আইন মান্যকারী সু নাগরিক তৈরি করার জন্য পূর্ববর্তী কার্যক্রম আগের মতোই চালু রাখতে চাই।
অপরাধ-বিরোধ সংঘটিত হওয়ার আগেই বিট এলাকায় কমিউনিটি পুলিশিং তথা সুশীল সমাজের নেতৃবৃন্দের সহায়তায় বিচক্ষণতার সাথে সামাজিক সমস্যাগুলো অনেকটাই সামাজিক প্রক্রিয়ায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি সমুন্নত রাখতে চাই।
ওপেন হাউজ ডে'তেজমিজমা দখল নিয়ে বিশৃঙ্খলার উদ্ভব অভিযোগ আমরা বেশি পেয়ে থাকি, জমিজমার কাগজপত্র যাচাই-বাছাইয়ের আগে শৃঙ্খলা রয়েছে কি-না তা অধিক গুরুত্ব বহন করে। সামাজিক নিষ্পত্তি কিংবা আদালত নিষ্পত্তি ছাড়া দখলদারকে বিতাড়িত করার এখতিয়ার আমাদের নেই।
মহামারি করোনা নিয়ে তিনি বলেন, করোনায় আগের মতোই স্বাস্থ্য সুরক্ষা বিধি পালন করতে হবে, সচেতনতা বাড়াতে হবে। নিয়ম মেনে মাস্ক পরিধান ও বারবার হাত সেনিটাইজড করতে হবে, ঢিলেঢালা নীতি চলবে না।
এজন্য একজন ইমানদার দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসেবে সকলেরই স্বাস্থ্যসুরক্ষার পক্ষে কাজ করার মাধ্যমে সকলের আন্তরিক তৎপরতায় সকল অপরাধীদের বিরুদ্ধে সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার মাধ্যমে সুস্থ ও নিরাপদ বন্দর উপহার দেয়া সম্ভব মর্মে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার বিএমপি ক্রাইম এন্ড অপস জনাব মোঃ এনামুল হক বলেন, জনগণের দোরগোড়ায় উত্তম, নির্ভেজাল সেবা নিশ্চিত করতে ওপেন হাউজ ডে'তে আগতদের সাথে সাধ্যমত আতিথিয়েতা রেখে সর্বচ্চ সুসম্পর্ক বজায় রাখতে চেষ্টা করছি, বিনিময়ে আপনাদের সহযোগিতা নিয়ে এলাকায় অপরাধ দানাবাঁধার আগেই তা নির্মূলে ভূমিকা রাখতে চাই।
নবাগত উপ-পুলিশ কমিশনার বিএমপি দক্ষিণ মোঃ আলী আশরাফ ভূঞা বিপিএম-বার তাঁর সরকারী নম্বর সবাইকে অবগত করে বলেন, দিনরাত ২৪ ঘন্টা আপনাদের অভিযোগ পরামর্শে সমৃদ্ধ হয়ে নিজেকে অবিরত নিয়োজিত রাখতে চাই। মাননীয় পুলিশ কমিশনার মহোদয়ের নেতৃত্বে প্রতিটি সমস্যার নির্ভেজাল সেবা আপনাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে চাই, ওপেন হাউজ ডে'র সুফল নিয়ে আশেপাশে চেনা-জানাদের মাঝে বেশি বেশি শেয়ার আপনি নিজে আসুন অপরকে নিয়ে আসুন।
বন্দর থানা অফিসার ইনচার্জ  মোঃ আসাদুজ্জামান এর সভাপতিত্বে এসময় উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার দক্ষিণ বিএমপি  মোঃ ফজলুল করীম, অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিএমপি  শেখ মোহাম্মদ সেলিম, সহকারী পুলিশ কমিশনার বন্দর থানা বিএমপি  শারমিন সুলতানা রাখি সহ সুশীল সমাজের সর্বস্তরের প্রতিনিধি ও ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার ব্যক্তিবর্গ।
ক্লু- লেস খুন সহ ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন ।
04 Sep 2021
গত ০৩/০৭/২০২১ ইং তারিখ রাত আনুমানিক ০৪:১৫ ঘটিকায় এয়ারপাের্ট থানাধীন ফিসারী রােড এলাকায় জনৈক মনােয়ার হােসেন এর বাড়ীতে সংঘটিত হয়।
উক্ত ঘটনায় নগদ ৫৩,০০০/- টাকাসহ প্রায় ১৪ ভরি স্বর্ণালংকার লুষ্ঠিত হয়। এতদসংক্রান্তে গত ০৫/০৭/২০২১ তারিখে এয়ারপাের্ট থানায় অজ্ঞাত নামা আসামীদের বিরুদ্ধে একটি ডাকাতি মামলা রুজু হয়। যার নম্বর ০৪, তারিখ-০৫/০৭/২০২১খ্রিঃ, ধারা-৩৯৫/৩৯৭ পেনাল কোড।
ইহা ছাড়া গত ১১/০৮/২০২১ তারিখে এয়ারপাের্ট থানাধীন কাশিপুর চহঠা এলাকায় জনৈক মঞ্জুর মাের্শেদ নামে সাবেক এক ব্যাংক কর্মকর্তার বাড়ীতে রাতের বেলায় একটি চুরিসহ
হত্যাকান্ড সংঘটিত হয়। তৎপ্রেক্ষিতে অজ্ঞাত নামা আসামীদের বিরুদ্ধে এয়ারপাের্ট থানার মামলা
নং-০৮, তারিখ-১২/০৮/২০২১ ধারা-৪৫৭/৩৮০/৩০২/৩৪ পেনাল কোড রুজু হয়।
দুইটি ঘটনার মােডাস অপারেন্ডি একই রকম হওয়ায় থানা পুলিশের তদন্তের পাশাপাশি গােয়েন্দা শাখা (ডিবি)কে ছায়া তদন্তের নির্দেশনা প্রদান করা হয়।
মহানগর গােয়েন্দা শাখা (ডিবি) কর্তৃক তথ্য প্রযুক্তি ও গােয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রফেশনাল ডাকাত দলের দুই সদস্য যথাক্রমে পটুয়াখালী জেলার আমড়া গাছা থানাধীন কাফিলা এলাকার মোঃ সুলতান আহমেদ খানের ছেলে তরিকুল ইসলাম শাকিব (২৮) ও একই জেলার মহিপুর থানাধীন ০৯ নং ওয়ার্ড কুয়াকাটা হোসেনপাড়ার মোঃ শাহআলম হাওলাদারের ছেলে
আলমগীর হাওলাদার(৪০)'দেরকে বরিশাল শহরের
শের-ই-বাংলা সড়ক এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।
ধৃত আসামীদের জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, উপরােল্লিখিত দুটি মামলার ঘটনা উক্ত দুই ডাকাতসহ তাদের গ্রুপের অন্যান্য সদস্যেরা মিলে
একত্রে সংঘটিত করেছে। তাদের তথ্যের ভিত্তিতে পটুয়াখালী জেলা ও থানাধীন পারকর্তিকপাশার লাউকাঠির মৃত আঃ মজিদ তালুকদারের ছেলে ডাকাত দলের অপর সদস্য জামাল (৪২) কে গ্রেফতার করা হয়।
ডাকাতি ও হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ঘর ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি
উদ্ধার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ রাত ১১ঃ৪৫ থেকে ডাকাত দলের অন্যান্য সদস্যদেরকে গ্রেফতার ও লুষ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে অভিযান অব্যাহত আছে।
এ-সংক্রান্তে ০২ সেপ্টেম্বর ২০২১ খ্রিঃ ১৬ঃ৩০ ঘটিকায়, বিএমপি সদরদপ্তর সম্মেলন কক্ষে মাননীয় পুলিশ কমিশনার জনাব মোঃ শাহাবুদ্দিন খান বিপিএমবার মহোদয়ের সভাপতিত্বে বর্ণিত ক্লু- লেস খুন সহ ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন সংক্রান্তে এক প্রেস ব্রিফিং অনুষ্ঠিত হয়।

পুলিশ কমিশনার মহোদয় সর্ম্পকীত

avatar
Police Commissioner
Shahabuddin Khan, BPM (BAR)

Shahabuddin Khan, BPM (BAR)

Police Commissioner

Barishal Metropolitan Police, Barishal

Mission
TO ENSURE LIVABLE, SAFE PROSPEROUS SOCIETY FOR THE CITY DWELLERS THROUGH TECHNOLOGY-BASED AND PRO-PEOPLE POLICING
Vision
PRO-PEOPLE POLICING FOR DISCIPLINE AND SECURITY

BMP ACTIVITIES

Bangladesh Police devotes a round the clock service to public order, peace and security. It works relentlessly to secure life and property of the people. The enormous area of responsibility and the volume of works of Bangladesh Police entail activities ranging from domestic law and order management to performing globally with the UN in its different peacekeeping missions. The functions in generally carried out by Bangladesh Police are as follows:

Crime Management
  • Collecting intelligence
  • Response to crime Incidents
  • Investigation
  • Verification
  • Public Order Management
  • Traffic Management
  • Assisting Prosecution
Internal Security:
  • Security Patrols
  • Security Watchdog
  • VVIP Security
  • KPI Security
  • Security at National Occasions (Religious festival, Fair, Ijtema, Pahela Baishakh etc.)
Social Integration:
  • Addressing Transnational Crimes (Interpol, SAARCPol etc)
  • UN Peacekeeping Missions
Performing Internationally:
  • Collecting intelligence
  • Response to crime Incidents
  • Investigation
  • Verification
  • Public Order Management
  • Traffic Management
  • Assisting Prosecution

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ইতিহাস

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ বা বিএমপি ২০০৬ সালে বরিশাল মেট্রোপলিটন এলাকাকে সেবা প্রদানের উদ্দেশে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশ অধ্যাদেশ  ২০০৯ -এর একটি পুলিশ আইন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের থানা সমুহ

গুগল ম্যাপে বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কার্যালয়